মোঃসালামত উল্লাহ
কুমিল্লার লালমাইয়ে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, নামীয় ৫১ আসামির মধ্যে রয়েছেন-মো. মানিক মিয়া, মো. ইকবাল মজুমদার, সৌরভ হোসেন রেপ, মো. কামাল হোসেন, এম জাবের আহম্মেদ জাবেদ, শাহআলম, হাবিবুর রহমান মজুমদার, ডা. মহিন উদ্দিন, মো. সেরাজু হক প্রকাশ চারু, মো. সিদ্দিক মিয়া, মো. শরীফ, মো. শাহাজান, মো. সোহেল, মো. আহসান উল্যাহ, মো. আবুল কালাম, শম্ভু রায়, মো. বাবুল মিয়া, সাদ্দাম হোসেন টিপু, মো. খোরশেদ আলম, মো. মাসুদ, মো. আল আমিন প্রকাশ অয়ন, মো. সোহাগ, মো. আরিফ মজুমদার, মো. এবায়েদ উল্যাহ, মো. সোলোমান, মো. কবির হোসেন, মো. রাজু আহাম্মেদ, হারুনুর রশিদ, মো. রবিউল হোসেন, মোজাম্মেল হক, মো. সোহাগ, মো. সোহাগ তালুকদার,
আসাদুজ্জামান প্রকাশ রাসেল, মো. খালেদ মজুমদার, মো. মোশারফ হোসেন, ওসমান গনি রিংকু, রিয়াজ, সদ্দাম, জাকির হোসেন, মো. আনোয়ার উল্যা (বিএসসি), মাহবুব আলম (বিএ), মো. আসালম মজুমদার, মো. আলী আশ্রাফ, মো. আক্তারুজ্জামান রকেট, মো. রফিকুল ইসলাম প্রকাশ সুয়া মেম্বার, মো. শামীম, মো. শিল্পিন আহাম্মদ, মো. আরিফ বিল্লাহ, মো. শান্ত হোসেন সোহাগ এবং মো. শহীদুল ইসলাম। অভিযোগে আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভেতরে থাকা চেয়ার, টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। হামলার পর কার্যালয়ের ভেতরের বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলেও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় নাম থাকা ব্যক্তিরা সবাই কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূইয়ার অনুসারী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে মামলায় অভিযুক্তদের কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আদালতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে আইনগতভাবে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।
প্রিন্ট এর তারিখঃ 2026-10-06 18:55:54
লালমাইয়ে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর যুবদল-ছাত্রদলের ৫১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
মোঃসালামত উল্লাহ
কুমিল্লার লালমাইয়ে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, নামীয় ৫১ আসামির মধ্যে রয়েছেন-মো. মানিক মিয়া, মো. ইকবাল মজুমদার, সৌরভ হোসেন রেপ, মো. কামাল হোসেন, এম জাবের আহম্মেদ জাবেদ, শাহআলম, হাবিবুর রহমান মজুমদার, ডা. মহিন উদ্দিন, মো. সেরাজু হক প্রকাশ চারু, মো. সিদ্দিক মিয়া, মো. শরীফ, মো. শাহাজান, মো. সোহেল, মো. আহসান উল্যাহ, মো. আবুল কালাম, শম্ভু রায়, মো. বাবুল মিয়া, সাদ্দাম হোসেন টিপু, মো. খোরশেদ আলম, মো. মাসুদ, মো. আল আমিন প্রকাশ অয়ন, মো. সোহাগ, মো. আরিফ মজুমদার, মো. এবায়েদ উল্যাহ, মো. সোলোমান, মো. কবির হোসেন, মো. রাজু আহাম্মেদ, হারুনুর রশিদ, মো. রবিউল হোসেন, মোজাম্মেল হক, মো. সোহাগ, মো. সোহাগ তালুকদার,
আসাদুজ্জামান প্রকাশ রাসেল, মো. খালেদ মজুমদার, মো. মোশারফ হোসেন, ওসমান গনি রিংকু, রিয়াজ, সদ্দাম, জাকির হোসেন, মো. আনোয়ার উল্যা (বিএসসি), মাহবুব আলম (বিএ), মো. আসালম মজুমদার, মো. আলী আশ্রাফ, মো. আক্তারুজ্জামান রকেট, মো. রফিকুল ইসলাম প্রকাশ সুয়া মেম্বার, মো. শামীম, মো. শিল্পিন আহাম্মদ, মো. আরিফ বিল্লাহ, মো. শান্ত হোসেন সোহাগ এবং মো. শহীদুল ইসলাম। অভিযোগে আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভেতরে থাকা চেয়ার, টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। হামলার পর কার্যালয়ের ভেতরের বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলেও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় নাম থাকা ব্যক্তিরা সবাই কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূইয়ার অনুসারী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে মামলায় অভিযুক্তদের কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আদালতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে আইনগতভাবে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।