মো: দিদারুল ইসলাম।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ১০ নং মারুকা ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এই নেতার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণাকে ঘিরে ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর বলেন, “রাজনীতি আমার পেশা নয়, ব্যবসা আমার পেশা। আমি চেয়ারম্যান হতে চাই মানুষের সেবা করার জন্য। এর পেছনে আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।”
তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে শুধু একটি পদ অর্জন করা নয়; বরং মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব গ্রহণ করা। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সমস্যা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মারুকা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে জনপ্রতিনিধিদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর একজন ব্যবসায়ী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নিজ পেশায় যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়াকে তিনি নিজের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেন।
তিনি বলেন, “আমি মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া চাই। চেয়ারম্যানের পদ আমার কাছে কোনো ভোগের বিষয় নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই।”
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারুকা ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ব্যক্তিরা নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগরের প্রার্থী হওয়ার আগ্রহও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে।
তার সমর্থকদের দাবি, তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। ফলে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং দলীয় সমর্থনসহ অন্যান্য বিষয় সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চান। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার পার্থক্য না করে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে চেয়ারম্যান হতে চাই না। মানুষের পাশে থাকার যে ইচ্ছা, সেটিকে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করতে চাই। জনগণের ভোট ও ভালোবাসা পেলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইউনিয়নের অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং সরকারি বিভিন্ন সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই একজন প্রার্থী হিসেবে মানুষের প্রত্যাশা ও এলাকার বাস্তব সমস্যাগুলোকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন—সেটিও নির্বাচনের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, মারুকা ইউনিয়নকে একটি উন্নত, সুন্দর ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, “মানুষ আমাকে যে আস্থা ও ভালোবাসা দিয়েছে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি চাই, সেই আস্থার প্রতিদান মানুষের সেবা করার মাধ্যমে দিতে।”
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মারুকা ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সরব হয়ে উঠছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে আলোচনা ও মতবিনিময়। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র নির্ভর করবে দলীয় সিদ্ধান্ত, প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগরের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে জনসেবা ও মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার। তিনি রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নয়, বরং মানুষের জন্য কাজ করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন বলে জানিয়েছেন। এখন তার এই বক্তব্য ও পরিকল্পনা আগামী দিনে স্থানীয় ভোটারদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পায়, সেটিই হবে দেখার বিষয়।
প্রিন্ট এর তারিখঃ 2026-10-03 23:24:34
রাজনীতি আমার পেশা নয়, ব্যবসা আমার পেশা—চেয়ারম্যান হতে চাই মানুষের সেবা করতে’
মো: দিদারুল ইসলাম।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ১০ নং মারুকা ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এই নেতার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণাকে ঘিরে ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর বলেন, “রাজনীতি আমার পেশা নয়, ব্যবসা আমার পেশা। আমি চেয়ারম্যান হতে চাই মানুষের সেবা করার জন্য। এর পেছনে আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।”
তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে শুধু একটি পদ অর্জন করা নয়; বরং মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব গ্রহণ করা। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সমস্যা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মারুকা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে জনপ্রতিনিধিদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর একজন ব্যবসায়ী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নিজ পেশায় যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়াকে তিনি নিজের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেন।
তিনি বলেন, “আমি মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া চাই। চেয়ারম্যানের পদ আমার কাছে কোনো ভোগের বিষয় নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই।”
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মারুকা ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ব্যক্তিরা নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগরের প্রার্থী হওয়ার আগ্রহও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে।
তার সমর্থকদের দাবি, তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। ফলে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং দলীয় সমর্থনসহ অন্যান্য বিষয় সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চান। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার পার্থক্য না করে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে চেয়ারম্যান হতে চাই না। মানুষের পাশে থাকার যে ইচ্ছা, সেটিকে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করতে চাই। জনগণের ভোট ও ভালোবাসা পেলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইউনিয়নের অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং সরকারি বিভিন্ন সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই একজন প্রার্থী হিসেবে মানুষের প্রত্যাশা ও এলাকার বাস্তব সমস্যাগুলোকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন—সেটিও নির্বাচনের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগর তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, মারুকা ইউনিয়নকে একটি উন্নত, সুন্দর ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, “মানুষ আমাকে যে আস্থা ও ভালোবাসা দিয়েছে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি চাই, সেই আস্থার প্রতিদান মানুষের সেবা করার মাধ্যমে দিতে।”
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মারুকা ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সরব হয়ে উঠছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও চলছে আলোচনা ও মতবিনিময়। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র নির্ভর করবে দলীয় সিদ্ধান্ত, প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর।
আলহাজ্ব আবুল কালাম সওদাগরের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে জনসেবা ও মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার। তিনি রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নয়, বরং মানুষের জন্য কাজ করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন বলে জানিয়েছেন। এখন তার এই বক্তব্য ও পরিকল্পনা আগামী দিনে স্থানীয় ভোটারদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পায়, সেটিই হবে দেখার বিষয়।