মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, রংপুর প্রতিনিধি:
‎রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বহুভাষী সাটলিপি প্রশিক্ষণ একাডেমির (বিএম কলেজ) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মুঠোফোনে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
‎
‎স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া প্রায় ৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি অডিওতে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দিতে শোনা যায় অভিযুক্ত শিক্ষককে। তবে কথোপকথনের একপর্যায়ে ছাত্রী ওই প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং শিক্ষককে এমন আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
‎
‎ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার (২৯ জুলাই) কলেজের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
‎
‎খবর পেয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
‎
‎অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, ‘বাবা-মায়ের পরই শিক্ষকের স্থান। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি শিক্ষকতার মর্যাদা হারিয়েছেন। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
‎
‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদের মুঠোফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
‎
‎পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, ‘অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রশাসনিক ও আইনি বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রিন্ট এর তারিখঃ 2026-08-01 16:21:23
রংপুরে আপত্তিকর প্রস্তাবের অভিযোগে অধ্যক্ষ অপসারিত, তদন্ত চলছে
মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, রংপুর প্রতিনিধি:
‎রংপুরের পীরগাছা উপজেলার বহুভাষী সাটলিপি প্রশিক্ষণ একাডেমির (বিএম কলেজ) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে মুঠোফোনে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
‎
‎স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া প্রায় ৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি অডিওতে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ছাত্রীকে আপত্তিকর প্রস্তাব দিতে শোনা যায় অভিযুক্ত শিক্ষককে। তবে কথোপকথনের একপর্যায়ে ছাত্রী ওই প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং শিক্ষককে এমন আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
‎
‎ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার (২৯ জুলাই) কলেজের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
‎
‎খবর পেয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
‎
‎অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, ‘বাবা-মায়ের পরই শিক্ষকের স্থান। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি শিক্ষকতার মর্যাদা হারিয়েছেন। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
‎
‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদের মুঠোফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
‎
‎পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, ‘অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রশাসনিক ও আইনি বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’