প্রিন্ট এর তারিখঃ 2026-07-15 21:04:20

শ্রীপুরে নি/খোঁ/জের ১২ দিন পর একটি  ঝোপ‌ে মিলল বৃদ্ধের কঙ্কাল


শ্রীপুরে নিখোঁজের ১২ দিন পর একটি  ঝোপ‌ে মিলল বৃদ্ধের কঙ্কাল      মহিউদ্দিন আহমেদ ,শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের  ১২ দিন পর বাড়ির  অদূরে একটি ঝোপে এক বৃদ্ধের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশে থাকা পাঞ্জাবি দেখে স্বজনরা কঙ্কালটি নিখোঁজ শামসুল হক (৮০)-এর বলে শনাক্ত করেছেন। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।   বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলের দিকে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামের মেকারপাড়া এলাকায় হাজী বাড়ি-সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।   পারিবারিক সূত্র জানায়, শামসুল হক শ্রীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চন্নাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর পারিবারিক নানা কারণে ২০২১ সালে তিনি মেয়ের বাড়ির পাশে গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা এলাকায় জমি কিনে বসবাস শুরু করেন   গত ৩ জুলাই তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে শ্রীপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৫৮৯) করেন। এরপরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।   স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় শিশু সাজিম ঝোপের মধ্যে কঙ্কালটি দেখতে পেয়ে অন্যদের খবর দেয়। পরে এলাকাবাসী সেখানে গিয়ে কঙ্কালের পাশে একটি পাঞ্জাবি দেখতে পান। খবর পেয়ে নিহতের মেয়ে সহিনা ও জামাতা জাকির হোসেন ঘটনাস্থলে এসে পোশাক দেখে কঙ্কালটি শামসুল হকের বলে শনাক্ত করেন।   নিহতের জামাতা জাকির হোসেন বলেন, ‘শ্বশুরকে না পেয়ে থানায় জিডি করেছিলাম। আজ স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে এসে জামাকাপড় দেখে শনাক্ত করি। বাড়ির এত কাছে কঙ্কাল পাওয়া গেলেও এতদিন কেউ টের পায়নি। বিষয়টি আমাদের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে।’   খবর পেয়ে শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কঙ্কাল উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।   শ্রীপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় সাহা বলেন, ‘কঙ্কালের পাশে থাকা জামাকাপড় দেখে স্বজনরা পরিচয় শনাক্ত করেছেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।’   শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।