মাদক
ঝিনাইদহে ৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে আটক
ঝিনাইদহে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা। এক শ্রেণির নারী মাদক কারবারি কৌশলে ছড়িয়ে দিচ্ছে ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণীদের টার্গেট করে মাদকের মরণফাঁদে ফেলছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। মাদকের অর্থ জোগাতে পরবর্তীতে তাদের জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে অনৈতিক দেহ ব্যবসায়। ঝিনাইদহের ডিবি পুলিশের অগ্রগামী ভূমিকার কারণে প্রায়ই গ্রেপ্তার হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা, আর গ্রেপ্তারের সূত্র ধরেই সামনে আসছে একের পর এক নারী মাদক ব্যবসায়ী। ঝিনাইদহ পৌরসভার কালিকাপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালিকাপুর পশ্চিমপাড়ায় জনৈক রাকিবুল ইসলামের বাড়ির সামনে রাস্তার ওপর তল্লাশি চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন: মো. রাজিব মন্ডল (৩৫), পিতা- মো. রমজান মন্ডল, সাং- লাউদিয়া; মো. ইমরান হোসেন (ইমন) (২৫), পিতা- মো. আসাদুজ্জামান, সাং- ভড়ুয়াপাড়া; এবং মুনিয়া উম্মেজান অর্ণি (২৪), পিতা- আব্দুল ওয়াদুদ, সাং- দুধম্বর চরপাড়া, শৈলকুপা (বর্তমানে কালিকাপুর পশ্চিমপাড়ার মোল্লাপাড়ায় ভাড়াটিয়া)। পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলছে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে, তবুও নিত্যনতুন কৌশল পাল্টাচ্ছে মুখোশের আড়ালে থাকা মূলহোতারা। মাদক ব্যবসায়ীদের নতুন কৌশলের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ঝিনাইদহের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় আলিশান বাসা ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে মাদকের আস্তানা ও মিনি পতিতালয়। নারী মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের নারীত্বের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে চালাচ্ছে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, ঝিনাইদহ শহরে নারীদের দিয়ে 'এসকর্ট সার্ভিস' চালাচ্ছে মুর্শিদা নামের এক অঘোষিত 'আপা'। এছাড়াও আরও কিছু অতিপরিচিত নাম শহরের বাতাসে ভেসে বেড়ায়, তাদের মধ্যে অন্যতম, তানিয়া, শাম্মী, জ্যোতি, অ্যানী, মারিয়া, তন্নীসহ আরও অনেকে। যাদের সঙ্গে জেলার অধিকাংশ ক্ষমতাধর রাজনৈতিক নেতা, ক্যাডার বা মাস্তানদের রয়েছে দহরম-মহরম সম্পর্ক। এই সকল মেয়েরা স্থানীয় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের সাথে সখ্য গড়ে তুলে প্রথমে তাদের মাদকাসক্ত করছে, পরবর্তীতে খরচের টাকা জোগাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে দেহ ব্যবসায় নামাচ্ছে। ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন স্থানে যে সকল মিনি পতিতালয় গড়ে উঠেছে, সেসব স্থানে চলে নিয়মিত মাদকের আড্ডা, কেনাবেচা ও দেহ ব্যবসা। আর সব থেকে ভয়াবহ যে বিষয়টি নিয়মিত ঘটছে সেটি হলো 'হানি ট্র্যাপ'। এই সকল বাসা-বাড়িতে কৌশলে মেয়েদের দিয়ে শহরের অভিজাত শ্রেণির মধ্যবয়স্ক লোকজন ডেকে এনে লুটে নেওয়া হচ্ছে সবকিছু। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করে সারা জীবন তাদেরকে চুষে খাচ্ছে এই সিন্ডিকেট। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই সমস্ত সিন্ডিকেটকে আশ্রয় দিচ্ছে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা পরিচয়দানকারীরা। এই সকল অপকর্মের দৌরাত্ম্যে ঝিনাইদহের তরুণ সমাজ এক চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অভিভাবক মহলে বিরাজ করছে তীব্র উদ্বেগ। স্থানীয়দের একটাই দাবি মাদকের এই ভয়াবহ বিস্তার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড রুখে দিতে জেলা পুলিশ প্রশাসন যেন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে কঠোর ও অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে। ঝিনাইদহের সচেতন মহল মনে করছেন, কেবল গ্রেপ্তার নয়, বরং এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনলেই কেবল এই জনপদকে মাদকমুক্ত রাখা সম্ভব।
গাইবান্ধায় ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক
পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা মহোদয় এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, গাইবান্ধা এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা জেলাধীন পলাশবাড়ী থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করিয়া অদ্য ২৮/০৬/২৬ খ্রিঃ২২ঃ০৫ ঘটিকায় পলাশবাড়ী থানাধীন ০৮ নং মনোহরপুর ইউনিয়নের ০৩ নং ওয়ার্ডের খমার বালুয়া গ্রামস্থ স্বীকৃত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ শাকিব মন্ডল @ ওহাব(২৮), পিতা-মৃত শাহ সুলতান মন্ডল এর বসত বাড়ীর শয়নকক্ষে আসামি ১। মোঃশাকিব মন্ডল@ ওহাব পিতা-মৃত শাহ সুলতান মন্ডল,মাতা- মোছাঃ শাহেরা বেগম সাং-খামার বালুয়া থানা- পলাশবাড়ী , ২। মো: মাহি সরকার(২১),পিতা:শেখ আবুল হোসেন, সাং ডুমুরগাছা,থানা- গোবিন্দগঞ্জ, ৩। মো: তুষার মিয়া(১৯),পিতা মোঃ জহিরুল বেপারী, সাং- হরিনা বাড়ি, থানা- পলাশবাড়ী,জেলা- গাইবান্ধাদের মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের ও সেবনের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখা অবস্থায় ১ নং আসামী এর পরিহিত প্যান্টের ডান পকেটে হতে সাদা পলিথিন দিয়ে মোড়ানো একটি পটলায় হালকা কমলা রঙের (৩৬) পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক গ্রেফতার করা হয়। বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানার মামলা নং ৩৩ তারিখ ২৯/৬/ ২০২৬ ইং ধারাঃ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬ (৫)এবং ১ নং আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে উক্ত স্থানে অবস্থান কোরিয়া অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিভিন্ন মাদক সেবিদের নিকট বিক্রয় ও সেবন করার উদ্দেশ্যে তাহার নিজ হেফাজতে রাখিয়াছে।ধৃত ১ নং আসামে অবৈধ মাদকদ্রব্য কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখা এবং সেবন করায় পলাশবাড়ী থানার মামলা নং ৩৩ তাং ২৯/০৬/২০২৬,ধারা:২০১৮ ৩৬ এর (১)সারণির ১০( ক)/৩৬(৫) এবং ধৃত ২ নং আসামী মোঃ মাহি সরকার (২১) এবং ৩ নং আসামী মোঃতুষার মিয়া (১৯) দ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করার অপরাধে তাহাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারায় আলাদাভাবে পলাশবাড়ী থানার নন এফআইআর প্রসিকিউশন নং ৪০,তাং ২৯/০৬/২০২৬ দাখিল করা হইয়াছে।
সীমান্তে জব্দকৃত ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মা/দ/ক ধ্বংস করল বিজিবি
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত এলাকা থেকে জব্দ করা প্রায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ এসব মাদক ধ্বংস করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৪৮ জনকে আটক এবং ১২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৬ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ছিল। ধ্বংস করা বিপুল পরিমাণ মাদকের মধ্যে ছিল ৩ হাজার ৭৯১ বোতল মদ, ৪ হাজার ৫২৪ বোতল ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদক, ৪৭ হাজার ২৭০টি ইয়াবা, ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৬৯টি বিড়ি ও সিগারেট, ৩৩ দশমিক ৪ কেজি গাঁজা, ৬৩ লাখ ১৩ হাজার ১২০ পিস বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ওষুধ, ৩৫ কেজি তামাকের গুঁড়া, দুই বোতল লিকুইড সিসা এবং মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত ১০০ কেজি বটপাতা। এছাড়া ৭২ দশমিক ৫০ মিলিগ্রাম এলএসডি, ৮ দশমিক ৫৮৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আফিম তৈরির ২০ বোতল রাসায়নিকও ধ্বংস করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, মাদকমুক্ত দেশ গঠনে বিজিবি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। মাদক একটি সামাজিক মহামারি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একই সাথে তিনি মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের লক্ষ্যে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হচ্ছে। মাদক ধ্বংসকরণ এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, খুলনা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, র্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা।
কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে আয়োজনে:গোমরাইল গ্রামবাসীর কর্তৃক আয়োজিত “মাদক প্রতিরোধ সমাবেশ”- অনুষ্ঠিত হয়। মাদকে না বলি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি- এই শ্লোগান সামনে রেখে - মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ রক্ষায় - গোমরাইল গ্রামবাসীর কর্তৃক আয়োজিত “মাদক বিরোধী জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সমাবেশ -প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ ৪ আসনের বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক সফল প্যানেল মেয়র ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ জনাব হামিদুল ইসলাম, এ সময় তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। যেখানেই মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী দেখা যাবে, সেখানেই সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, মাদক বিরোধী জনসচেতনতা সভা অব্যাহত থাকবে, তারই অংশ হিসেবে আজকের এই সভা। তিনি আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানিয়ে তিনি একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উক্ত ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ।
হরিনাকুন্ডুে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা মাদক নির্মূলে ‘অপারেশন চলবে’
হরিনাকুন্ডু উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় মাদক নির্মূলে অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বক্তারা বলেন,প্রশাসনকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন। সভায় থানার ওসি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মোবাইল গেম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এছাড়াও মাদক প্রসঙ্গে বিশেষ সিদ্ধান্ত হয়—উপজেলার হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ ও এলাকায় যৌথ অভিযান জোরদার করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, মাদক নির্মূলে অপারেশন চলবে। এখানে কোনো ছাড় নেই। তবে অভিযান শুধু কাগজে-কলমে চললে হবে না, প্রশাসনকে মাঠ পর্যায়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সবার সহযোগিতা লাগবে। সভায় স্কুল-কলেজের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবার সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘটে।
কালীগঞ্জে ১৯৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
কালীগঞ্জ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী বি শেষ অভিযানে শহরের কলেজ পাড়া এলাকা থেকে ১৯৫ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রাতে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল কলেজ পাড়া এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে উক্ত মাদকদ্রব্যসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এলাকাবাসীর দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন কঠোর অবস্থান ও নিয়মিত অভিযান যেন চলমান থাকে, যাতে তরুণ সমাজকে এই মরণনেশা থেকে রক্ষা করা যায়।
হালুয়াঘাটে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা-এর বিরোইডাকুনি এলাকায় আজ মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে এক গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে স্থানীয় এলাকাবাসী, যুব সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মাদক হিসাবে ইনজেকশন ব্যবহার বাড়ছে, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জনস্বাস্থ্যে
ইনজেকশন দিয়ে মাদক নেওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে শুধু আসক্তিই নয়, বরং পুরো সমাজ একটি ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। এখনই সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।