গল্লাই ইউনিয়নের ১০টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শংকর চন্দ্র সরকার

জেলা প্রতিনিধি, কুমিল্লার আলো

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১১ পিএম

বায়েজিদ হোসেন 

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ১০ নং গল্লাই ইউনিয়নের ১০টি পূজামণ্ডপে চলছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে ইউনিয়নের সবগুলো পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন আসন্ন গল্লাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শংকর চন্দ্র সরকার।

পরিদর্শনকালে তিনি কংগাই গ্রামের আটটি পূজামণ্ডপ—গুরপদ সাহার বাড়ি, মানিক সাহার বাড়ি, শ্যামল সিংহের বাড়ি, শংকর দাসের বাড়ি, পরেশ দওয়ের বাড়ি, রিপন দওয়ের বাড়ি, মরণ দাসের বাড়ি ও দীপক প্রফেসরের বাড়ির পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া দারোরা গ্রামের শংকর ডাক্তারের বাড়ি ও কেশব রায়ের বাড়ির পূজামণ্ডপও পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং দুর্গোৎসবকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দমুখর রাখতে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি, নিজস্ব অর্থায়নে পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাঁদের ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ, পূজার আয়োজন এবং বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অনুভূতি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তাঁদের কাছে শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়, বরং পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার একটি বিশেষ উপলক্ষ। 

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শংকর চন্দ্র সরকার বলেন, “জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সকলে মিলে দুর্গোৎসবের আনন্দে মেতে উঠব। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে আমরা সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে এ উৎসব উদ্‌যাপন করব।”

তিনি আরও বলেন, সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় তিনি ১০ নং গল্লাই ইউনিয়নসহ দেশ-বিদেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

শংকর চন্দ্র সরকারের এ পরিদর্শন ও আর্থিক সহযোগিতাকে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনে তাঁর অংশগ্রহণের একটি দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি সকলের সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

পরিশেষে আবারও সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান শংকর চন্দ্র সরকার।