গুম
মঠবাড়িয়ায় যুবককে আটক করে মুক্তিপণ আদায়, গ্রেফতার-১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদল নেতা কেএম ইলিয়াস সাদ্দার (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী মোসা. সুমি আক্তার বাদী হয়ে ইলিয়াসকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ২–৩ জনের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে শহরের অঙ্গন মনিরের ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেফতারকৃত ইলিয়াস উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের ভেচকি গ্রামের মোঃ সেলিম খানের ছেলে। থানা ও মামলা সূত্রে জানাযায়, সুমি আক্তারের তাঁর আট বছরের ছেলে ও তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে মঠবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার অঙ্গন মনিরের বাসায় ভাড়া থাকেন। একই বাসায় অভিযুক্ত কেএম ইলিয়াস সাদ্দারও ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। বিগত প্রায় ৬ বছর আগে মোবাইল গেম খেলার সুবাদে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মোঃ ইমন (২২)-এর সাথে সুমি আক্তারের ভাইয়ের পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে ইমনের পরিবারের সাথে সুমির পরিবারের একটি সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৫ জুলাই রবিবার সন্ধ্যায় ইমন মঠবাড়িয়ায় সুমি আক্তারের ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসেন এবং রাতে সেখানেই অবস্থান করেন। পরের দিন সোমবার ইমন পৌর শহরের মেগাফুট রেস্টুরেন্টে গেলে যুবদল নেতা ইলিয়াস ও তার সহযোগীরা ইমনকে কৌশলে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রেখে ওই গৃহবধুর সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে বলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখিয়ে ১ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। প্রাণনাশের হুমকির মুখে ইমনের বড় ভাই বিভিন্ন বিকাশ নম্বর থেকে ইমনের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা পাঠানোর পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী মোসা. সুমি আক্তার বাদী হয়ে ইলিয়াসকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও ২–৩ জনের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা করেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও জানান, যুবদল নেতা কেএম ইলিয়াস কয়েক মাস আগে প্রতারনা মামলায় জেল খেটে জামিনে আসছে। সালমান আহসান বাবু মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 01752971387
রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করলো জাতিসংঘ
রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিতে CAT এর অনুচ্ছেদ ১৪(১) এ বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই গুম করা হয়েছিল, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কমিশন
এখনো অনেকে অভিযোগ নিয়ে আসছেন জানিয়ে কমিশন সদস্য নাবিলা ইদ্রিস বলেন, ‘গুমের সংখ্যা চার থেকে ছয় হাজার হতে পারে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের অনেকের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের মাধ্যমে আরও ভিক্টিমের খোঁজ পাওয়া যায় যারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেননি, আমাদের সম্পর্কে জানেন না কিংবা অন্য দেশে চলে গেছেন। এমন অনেকেই আছে যাদের সাথে আমরা নিজ থেকে যোগাযোগ করলেও তারা অনরেকর্ড কথা বলতে রাজি হননি।’