গাইবান্ধা সদরের বোয়ালী ইউনিয়নের নির্মানাধীন লোহাছোরা ব্রীজের উপর ব্লক তৈরীর অভিযোগ
বাংলাদেশ বার্তা টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
গাইবান্ধা সংবাদদাতা:
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নে অবস্থিত লোহাছোরা ব্রীজ। পুরাতন সরু ব্রীজটি যাতায়াতের সুবিধার্ধে সম্প্রতি নতুন ভাবে সম্প্রসারণ করে নির্মান করা হয়।উক্ত ব্রীজের উপর নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে ব্লক নির্মানের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
২৪/৬/২০২৬ ইং সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,এ ব্রীজের উপর সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এলজিইডির লোকজনের অনুপস্থিতিতে নিম্নমানের দেশীয় বালি,সিমেন্ট, মাটি ও কাদা মিশ্রিত মরা পাথর দিয়ে ব্লক তৈরী করছেন। অভিজ্ঞ সম্পন্ন সচেতন মহল বলেন-নির্মাণাধীন ব্রীজের উপর ভারী ব্লক (যেমন: সিসি ব্লক) তৈরি করা কখনোই উচিত নয়। এটি ব্রীজের কাঠামোগত নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ব্রীজটি চূড়ান্তভাবে চালু হওয়ার আগে তার নিজস্ব ওজন এবং বহনের ক্ষমতার একটি নির্দিষ্ট নকশা থাকে। নির্মাণ সামগ্রী (বালু, সিমেন্ট, পাথর) ও কাঁচা ব্লকের অতিরিক্ত ওজন ব্রীজের ধারণক্ষমতা অতিক্রম করতে পারে।
ব্লক তৈরির সময় বা শুকানোর পর স্থানান্তরের জন্য ভারী মেশিনারিজ (যেমন: ভাইব্রেটর) ব্যবহার করা হয়। এই কম্পনের ফলে সদ্য নির্মিত ব্রীজের কংক্রিটে বড় ধরনের ফাটল বা স্থায়ী ক্ষতি (Structural Damage) হতে পারে। এ ছাড়াও ব্লক তৈরীর পর তা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয় (কিউরিং)। ব্রীজের স্ল্যাবের উপর এভাবে পানি জমিয়ে রাখলে ব্রীজের রড ও কংক্রিটের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তাই ব্রীজের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্লকগুলো ব্রীজের বাইরের কোনো নিরাপদ ও সমতল জায়গায় প্রস্তুত করা উচিত ছিল।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোবাইল ফোনে বলেন আজই স্থানান্তর করা হবে। কিন্তু ক্ষতি সাধন হওয়ার পর এ দ্বায়িত্ব কে নিবে বলে জানান এলাকাবাসী।
তারা বিষয়টি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন এটাই তাদের প্রত্যাশা।
আরও পড়ুন
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অনিদপ্তর, কুমিল্লা ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক মাদকবিরোধী অভিযান ৪ জন গ্রেফতার।
কুমিল্লা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযান ৩ জন গ্রেফতার
*বাকপ্রতিবন্ধী দুই বোনকে ২০ ঘণ্টা হেফাজতে রেখে পরিবারের হাতে তুলে দিলেন কাইয়ুম মুন্সি ও জালাল সরকার*